ঢাকা: পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে বুধবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবারের সদস্য, বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্য ও পাকিস্তানি নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে হাইকমিশনের সম্মেলনকক্ষে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে আলোচনা শুরু হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। প্রদর্শন করা হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র।
আলোচনায় হাইকমিশনের কর্মকর্তারা, সার্ক চেম্বার্স উইমেন এন্টারপ্রেণার কাউন্সিলের চেয়ারপার্সন হিনা মনসাব খান এবং রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন চৌধুরী অংশ নেন।
হাইকমিশনার বলেন, ‘৫ আগস্ট স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য গৌরবের দিন, বিজয়ের দিন এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন।’
তিনি রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠানকে বৈষম্যমুক্তভাবে গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আলোচকেরা বলেন, জুলাই পুনর্জাগরণে ছাত্র-জনতার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে, বৈষম্যমুক্ত ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলেই শহিদদের প্রতি ঋণ পরিশোধের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফেরাত এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।