Wednesday 22 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

১২৮তম দফায়ও পিছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ জুলাই ২০২৬ ১৫:১২ | আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬ ১৬:৪৪

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১২৮তম বারের মতো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় পিছিয়ে আগামী ২৭ আগস্ট নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাজহারুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের পরিচিত তানভীর রহমান খান।

আসামিদের মধ্যে তানভীর রহমান খান বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পলাশ রুদ্র পাল পলাতক হয়েছেন। বাকি আসামিরা কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) কাছে থাকলেও চারদিন পর তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিবি দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হলে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার র‌্যাবের কাছে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তে নতুন নির্দেশনা দিয়ে বিভিন্ন সংস্থার অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে এবং র‌্যাবকে তদন্ত থেকে অব্যাহতি দিতে আদেশ দেওয়া হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠন করে। এরপর থেকে টাস্কফোর্স মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর