Thursday 23 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা মামলা: আসামিপক্ষের ডিসচার্জ শুনানি আজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৩ জুলাই ২০২৬ ১১:৩৯

ঢাকা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামিদের অব্যাহতি (ডিসচার্জ) আবেদন শুনানি আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি শেষ হয়। ওইদিন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের আবেদন জানান। শুনানিতে তিনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা, ঘটনার প্রেক্ষাপট এবং প্রত্যেক আসামির ভূমিকা ট্রাইব্যুনালের সামনে উপস্থাপন করেন।

বিজ্ঞাপন

পরে আসামিপক্ষের শুনানি শুরু হয়। স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবী আমির হোসেন তার চার মক্কেলের অব্যাহতি চেয়ে দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদের এ মামলায় আসামি করা হয়েছে। একইভাবে স্টেট ডিফেন্সের আরেক আইনজীবী এম হাসান ইমামও তার মক্কেলদের ডিসচার্জ আবেদন উপস্থাপন করেন।

তবে আসামিপক্ষের সব আইনজীবীর বক্তব্য শেষ না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল শুনানি আজ পর্যন্ত মুলতবি রাখেন। শুনানি শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে কি না এবং এ বিষয়ে আদেশের তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় মোট ২৬ জন আসামির মধ্যে বর্তমানে আটজন গ্রেফতার রয়েছেন। তারা হলেন-ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল মো. হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মো. শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগকর্মী মো. ইরফানুল হক গাজী। বাকি ১৮ জন আসামি পলাতক রয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরা এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে নির্বিচারে গুলিবর্ষণের ঘটনায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সাতজন নিহত এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হন। পরদিন ১৯ জুলাই একই এলাকায় আরও চারজন নিহত হন। প্রসিকিউশনের দাবি, দুটি ঘটনাই ছিল পরিকল্পিত, ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলার অংশ, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে।

 

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর