Sunday 02 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চেক ডিজঅনার মামলায় সাহেদের ১ বছরের কারাদণ্ড

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩১ | আপডেট: ২ আগস্ট ২০২৬ ১৪:৩৯

মোহাম্মদ সাহেদ করিম

ঢাকা: ২৩ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে চেকের সমপরিমাণ অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম এ রায় দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দবির উদ্দিন জানান, গত ৩ মে সাহেদের অনুপস্থিতিতে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। রোববার সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তার জামিন আবেদন করা হলে আদালত তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ১৬ জুলাই একই ঘটনার বিষয়ে সিএমএম আদালতে দায়ের করা আরেকটি মামলার কথা তারা জানতেন। তবে চেক ডিজঅনার মামলার বিষয়ে অবগত না থাকায় সাহেদের অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা হয়।

বিজ্ঞাপন

আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে সাহেদের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৬ জুলাই বাহার ট্রেডার্স ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী হাফিজ উদ্দিন বাহার ২৩ লাখ ১৮ হাজার ৩৫৮ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী ক্রয়ের জন্য বাদীর সঙ্গে সাহেদের ব্যবসায়িক চুক্তি হয়েছিল। শুরুতে কিছু অর্থ নগদে পরিশোধ করলেও পরবর্তী সময়ে তিনি চেকের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতেন। নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বাবদ ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর উত্তরা ব্যাংকের নবাবপুর শাখার একটি চেক দেন তিনি। পরে ২০২০ সালের ৫ মে চেকটি নগদায়নের জন্য ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় সেটি ডিজঅনার হয়।

এরপর একই বছরের ২ জুন এক মাসের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের জন্য সাহেদকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করায় ২৬ জুলাই আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়।

এর আগে গত ৩০ জুলাই প্রতারণার একটি মামলায় বাদীর সঙ্গে আপসের শর্তে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় ১০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান সাহেদ।

এ ছাড়া গত ২০ জুলাই রাজধানীর ইসিবি চত্বর থেকে মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ২ কোটি ১৬ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে পল্লবী থানা পুলিশ। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য, অস্ত্র, প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে ৩৫টিরও বেশি মামলা রয়েছে। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। পরে বিভিন্ন মামলায় জামিন লাভের পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কারামুক্ত হন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর