ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের আদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্টদের আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুরাদ হোসাইন।
এর আগে, ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ৪ আগস্ট ওয়াসেল বিন সাদাতকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর আগে একই অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
অভিযোগের সূত্রপাত ২০২৩ সালের আগস্টে। সে সময় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী থিসিস জমা দিতে শিক্ষক ওয়াসেল বিন সাদাতের কক্ষে গেলে যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন। ওই সময় ওয়াসেল ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কোর্সে এক্সটারনাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী উল্লেখ করেন, অধ্যাপক ওয়াসেল তার থিসিস সুপারভাইজার ছিলেন। ১৫ আগস্ট থিসিসের বিষয়ে দেখা করতে গেলে তিনি তার সঙ্গে অমার্জিত আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি ওই ছাত্রীকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে হয়রানি করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সেদিন অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ভবনটি প্রায় ফাঁকা ছিল।
এ ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওয়াসেল বিন সাদাতকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। চূড়ান্ত বরখাস্তের ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত আজ এই রুল জারি করেন।