ঢাকা: আগের সব নিয়োগ আদেশ বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদে এবং ১৭৯ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পৃথক প্রজ্ঞাপনে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি-পিপি শাখা) এ তথ্য জানায়।
ডিএজি-এএজি পদে সব মিলে ২৬৫ জন নিয়োগ পেলেন। আর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডিএজি–এএজি পদে এটিই প্রথম নিয়োগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি এই অনুবিভাগের বিভিন্ন তারিখের স্মারকে পূর্বে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার-১৯৭২-এর ৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের ভাষ্য, এই অনুবিভাগের বিভিন্ন তারিখের স্মারকে পূর্বে নিয়োগ পাওয়া সকল সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার-১৯৭২-এর ৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের ১৭৯ জন আইনজীবীকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। উভয় নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে পৃথক প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে ২৫ মার্চ অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৯ মার্চ ডিএজি-এএজিদের কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষার (পারফরম্যান্স ইভল্যুশন টেস্ট) উদ্যোগ নেন তিনি। পরে মূল্যায়ন পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়।
পরবর্তীকালে বেশ কয়েকজন ডিএজি ও এএজি পদত্যাগ করেন। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, আজকের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের আগে অ্যাটর্নি কার্যালয়ে ৯৩ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ২১৩ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে তারা নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে অনেকে এবার আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, আবার কেউ কেউ বাদ পড়েছেন।