ঢাকা: দীর্ঘদিন বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে যোগ দিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের বৈঠকে হুইলচেয়ারে বসে অধিবেশনে অংশ নেওয়ার পর পৌনে ৬টায় প্রথমবারের মতো ভাষণ দেওয়ার সময় এই আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শপথ গ্রহণের পর এটিই সংসদে তার প্রথম বক্তব্য ছিল। তার বক্তব্য চলাকালীন পুরো সংসদজুড়ে নীরবতা বিরাজ করছিল।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সংসদে ফিরে এসেছি কাজ করার জন্য। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে চিকিৎসাধীন আছি। বিদেশে চিকিৎসাধীন ছিলাম, এখনো আছি। আবেগ-ভালোবাসার কারণে সংসদে আসতে হয়েছে।’
২০০৬ সালের দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সংসদে কথা বলার এই ঐতিহাসিক সময়টিকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের ‘অন্যতম আবেগঘন মুহূর্ত’ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর জাতীয় সংসদের মতো পবিত্র জায়গায় দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষের কথা বলতে পারায় আমি গভীরভাবে অভিভূত। আমার এই অসুস্থতার সময়ে খোঁজখবর রাখা এবং মানবিক আচরণ প্রদর্শনের জন্য আমি দেশটির রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’
উল্লেখ্য, সংসদ ভবনে এই বক্তব্য দেওয়ার সময়ে তিনি দলীয় সহকর্মী ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমানের মাইক্রোফোন ব্যবহার করেন এবং লিখিত ভাষণ পাঠে তার সহায়তা গ্রহণ করেন, যা সেসময় উপস্থিত অন্য সকল সদস্যকেও সমানভাবে আবেগাক্রান্ত করে তোলে।