Friday 04 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

এটিএম আজহারের আপিল শুনানি ফের ৮ মে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ মে ২০২৫ ১৪:০৮ | আপডেট: ৬ মে ২০২৫ ১৬:৫৩

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানি ফের বৃহস্পতিবার (৮ মে) দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (৬ মে) দুপুরে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়েছিল এ মামলার শুনানি।

আদালতে আজহারের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

সাংবাদিকদের অ্যাডভোকেট শিশির মনির বলেন, এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আজ ৯০ ভাগ শুনানি শেষ হয়েছে। বাকি শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার শুনবেন আপিল বিভাগ। ওই দিন ইতিবাচক কোনো কিছু হবে বলে আমরা আশাবাদী।

বিজ্ঞাপন

শুনানি চলাকালে আদালতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, ২২ এপ্রিল শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে এটিএম আজহারকে আপিলের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ।

২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে ২, ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগে ফাঁসির দণ্ডাদেশ পান এটিএম আজহার। এছাড়া ৫ নম্বর অভিযোগে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অমানবিক অপরাধের দায়ে ২৫ বছর ও ৬ নম্বর অভিযোগে নির্যাতনের দায়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। আপিল বিভাগের রায়ে ২, ৩, ৪ ও ৬ নম্বর অভিযোগের দণ্ড বহাল রাখা হয়। আর ৫ নম্বর অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।

ওই দিন আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী (প্রয়াত) খন্দকার মাহবুব হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন (প্রয়াত) অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

২০২০ সালের ১৫ মার্চ আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। ওই রায়ের রিভিউ চেয়ে একই বছরের ১৯ জুলাই আপিল বিভাগে সংশ্লিষ্ট আবেদন করেছিলেন এই জামায়াত নেতা। ২৩ পৃষ্ঠার পুনর্বিবেচনার ওই আবেদনে মোট ১৪টি যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

সারাবাংলা/আরএম/এমপি
বিজ্ঞাপন

আজ শুভ জন্মাষ্টমী
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৪২

আরো