Saturday 15 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রাকসু ও হল সংসদে প্রার্থী হলেন স্বামী-স্ত্রী

রাবি করেসপন্ডেন্ট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২১:৪৮ | আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:২৮

রাকসু ও হল সংসদে প্রার্থী হাবিব-সানজিদা দম্পতি। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী: আসন্ন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন হাবিব-সানজিদা দম্পতি। স্বামী-স্ত্রীর একসঙ্গে নির্বাচনি প্রচার দৃষ্টি কেড়েছে শিক্ষার্থীদের। ডাকসু ও জাকসুর জয়ী দম্পতির মতো রাকসুতেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তারা।

মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব) বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি লড়ছেন কেন্দ্রীয় সংসদে নির্বাহী সদস্য পদে। অন্যদিকে সানজিদা ইসলাম পড়াশোনা করছেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষে। তিনি লড়ছেন মন্নুজান হল সংসদে সাহিত্য ও বির্তক সম্পাদক পদে।

বিজ্ঞাপন

কেন ক্লাসরুম ও সংসার সামলানোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব দিতে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে সানজিদা ইসলাম বলেন, ‘আমরা অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন ক্লাব-সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছি। সামাজিক-সাংস্কৃতিক জগতে আমাদের অবাধ বিচরণ রয়েছে। বন্ধু-বান্ধব, সিনিয়র-জুনিয়রদের অনুপ্রেরণা আমাদের এ পথে অগ্রসর হতে আগ্রহী করেছে। সে জায়গা থেকে নিজেদের যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা অনুসারে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করতে পারব এই আত্মবিশ্বাস থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়া।’

এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা দু’জন নির্বাচনে দুই পদে প্রার্থী হয়েছি। কারণ, আমাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দু’টি ভিন্ন জায়গায়। ১৯ নম্বর ব্যালট নিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আমি এবং ১ নম্বর ব্যালট নিয়ে আমার স্ত্রী মন্নুজান হল সংসদে বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন। আমরা গত তিনবছর ধরে ক্যাম্পাসে আছি। আগের অভিজ্ঞতা ও ক্যাম্পাস জীবনের বাস্তবতা মিলিয়ে মনে হয়েছে, এই দুটি পদে আমরা দু’জনই সেরা সেবা দিতে পারব।’

নির্বাচনি প্রচারে কোনো সংকট বা বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সংকট হলো— লম্বা ছুটির মাঝখানে নির্বাচন হওয়ায় অনেক আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থী বাসায় চলে যাবে। এটা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এখন পর্যন্ত আমরা বুলিংয়ের শিকার বা নেতিবাচক কিছু লক্ষ্য করিনি। বরং, প্রচুর অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আমরা জয়ী হয়ে ফিরব বলে আশাবাদী।’

উল্লেখ্য, ডাকসুতে শিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী’ প্যানেল থেকে রায়হান উদ্দিন ও উম্মে সালমা এবং জাকসুতে ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ থেকে তারিকুল ইসলাম ও নিগার সুলতানা দম্পতি বিজয়ী হন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর