Monday 17 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দেশজুড়ে আরও কমতে পারে তাপমাত্রা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:১৮ | আপডেট: ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২:৫৪

প্রকৃতিতে শীতের আমেজ।

ঢাকা: দেশে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও কমতে পারে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও শেষরাত থেকে ভোর পর্যন্ত হালকা কুয়াশা পড়তে পারে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে। এই অবস্থার প্রভাবে দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, শনিবার রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

এ ছাড়া রোববার (৭ ডিসেম্বর) থেকে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত আবহাওয়া প্রায় একই রকম থাকতে পারে। এ চারদিনও শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা কুয়াশা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। তবে এ সময় তাপমাত্রায় তেমন কোনো পরিবর্তন হবে না। বর্ধিত পাঁচ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনেরও সম্ভাবনা নেই।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, চলতি ডিসেম্বর থেকে আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যেই দেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে। তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। এ সময়ে ৩ থেকে ৮টি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি), মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি) এবং ২ থেকে ৩টি তীব্র (৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি ও বজ্রঝড়ও দেখা দিতে পারে।

শীতের এমন পূর্বাভাসে বিশেষ সতর্কতা দিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তারা জানান, ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে। বয়োজ্যেষ্ঠ, শিশু এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় এরই মধ্যেই শীতের প্রভাব স্পষ্ট। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে হিমেল হাওয়া। ফলে শীতের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে, পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্টও বাড়ছে।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর