Tuesday 28 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বেটিং বিতর্কে ইতালির কোচ হচ্ছেন না পিরলো!

ক্রীড়া ডেস্ক
২৮ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩৭

মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই ইতালির কোচ হওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন তিনি। দেশটির কিংবদন্তি বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার আন্দ্রে পিরলোর দায়িত্ব নেওয়া ভেস্তে যাচ্ছে বেটিং বিতর্কে। জানা গেছে, রাশিয়ান বেটিং কোম্পানির দূত হওয়ার কারণেই তাকে কোচের দায়িত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন।

ইতালির কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন কার্লো আনচেলত্তি ও পেপ গার্দিওলা। এরপর আজ্জুরিদের দায়িত্ব নেওয়ার খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন পিরলো।

তবে এসবের মধ্যেই সামনে আসে বেটিং বিতর্ক। রাশিয়ান বেটিং কোম্পানি ফনবেটের গ্লোবাল অ্যাম্বাসাডর পিরলো। এই খবর প্রকাশ পেতেই কোচ নিয়োগের সিদ্ধান্তে নতুন মোড় আসে।

বিজ্ঞাপন

নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি দিয়ে অবশ্য অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পিরলো। তিনি লিখেছেন, ‘আমার নাম ও ইতালি দলের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে যে বিতর্ক চলেছে, সেটা আমি ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে দেখেছি। প্রতিষ্ঠান, ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট সব মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি এখন পর্যন্ত চুপ থেকেছি। আমার এখন মনে হচ্ছে এসব ব্যাপারে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন।‘

পিরলো বলেছেন, ‘প্রথমে খেলোয়াড় এবং পরে কোচ হিসেবে, আমি যেসব দেশে কাজ করেছি সেখানকার আইন এবং স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলোকে পূর্ণ সম্মান জানিয়েই আমার দায়িত্ব পালন করেছি।’

বেটিং কোম্পানির সঙ্গে জড়িত থাকার ব্যাপারটা অকপটে স্বীকার করেছেন পিরলো, ‘সাম্প্রতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ব্যাপারটি সত্য। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাজ করার সময় এটার সঙ্গে আমি যুক্ত হই। এটি সম্পূর্ণরূপে বাণিজ্যিক ও ক্রীড়াবিষয়ক একটি সংস্থা।’

ইতালির টেকনিক্যার ডিরেক্টর মালদিনির প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানালেন পিরলো, ‘আমি মালদিনি ও লিওনার্দোকে আমার প্রতি সম্মান ও আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি তাদের যোগ্যতা, আন্তরিকতা ও ইতালিয়ান ফুটবলের ভালোবাসা ও নিবেদন সম্পর্কে ভালোভাবে জানি।’

খানিকটা আক্ষেপ নিয়েই পিরলো বললেন, ‘আমি কিছুটা হতাশ। খেলাধুলা-সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্তকে দ্রুত এমন এক বিতর্কের মধ্যে টেনে আনা হয়েছে। আমার ওপর এমন সব অভিযোগ আরোপ করা হয়েছে যা একেবারেই সত্যি নয়।‘

সম্ভবত ইতালির কোচ না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েই শেষটা করলে পিরলো, ‘ইতালির জন্য আমার ভালোবাসা চাকরির ওপর নির্ভর করে না। এটা আমার ইতিহাস ও পরিচয়ের অংশ, যা সবসময় আমার সঙ্গে থাকবে।‘

সারাবাংলা/এফএম
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর