সরকারি তিতুমীর কলেজে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে চলমান সেশন ২০২১-২০২২, ২০২২-২০২৩, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) বেলা ১২টায় শহীদ বরকত মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশক্তির আহব্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব আল-নোমান নিরবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা।
আলোচনায় উপস্থিত ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী জহিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৬-১৭ যখন ঢাবির অধিভুক্ত হয় তখন সময়টা ছিল ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। যে কারণে ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা দুই বছর পিছিয়ে গিয়েছিল। আমাদের পরীক্ষার আর দুই থেকে আড়াই মাস সময় বাকি আছে। আমরা আশঙ্কা করছি ২১-২২ সেশন যদি ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যায় তাহলে আমরাও সেশন জটে পড়তে পারি। তাই আমি দাবি জানাই যাতে আমরা সেশন জটে না পড়ি সেই দিকে যেন খেয়াল রাখা হয়। তবে আমরা সেন্ট্রালের বিরুদ্ধে নই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী জানান, ঢাবি যে একাডেমি ক্যালেন্ডার তৈরি করে সে অনুযায়ী পরীক্ষা হয়নি। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত ঢাবির অধীনে সময় ব্যয় না করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরীক্ষা দেওয়া। আমি যদি পরিবর্তন চাই পরিবর্তনের সময়টুকু সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিকে দেওয়া উচিত। সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় পরের দিনই ফলাফল দিয়েছিল। তাই আমরা সেন্ট্রালের উপর অস্থা রাখতে পারি।
আলোচনা সভায় জাতীয় ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব নোমান আল নিরব বলেন, ঢাকা বিশ্বিদ্যালয়ের অধীনে যতদিন ছিল ততদিন শিক্ষার্থীদের গলার কাটা হিসেবে ছিল। বর্তমানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আশার আলো দেখাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, তিতুমীর কলেজ ছাত্র শক্তির জরিপ অনুযায়ী ২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থরা ৮৩% ঢাবির অধীনে থাকতে চায় সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে চায় ১০% এবং ৭% শিক্ষার্থী নিরপেক্ষ।
সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক শাখাওয়াত হোসেন বলেন, যারা বক্তব্য দিয়েছে অধিকাংশ ঢাবির অধীনে থাকতে চায়। যতদ্রত সম্ভব এখানে থেকে শিক্ষার্থীরা যাতে তাড়াতাড়ি বের হতে পারে এবং শিক্ষার্থীরা যাতে সেশন জটে না পরে।