রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজে নবগঠিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’তে অ্যাকাডেমিক মাইগ্রেশন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১টার দিকে কলেজ অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত দুজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন এবং উপ-উপাচার্যের বক্তব্যে বাঁধা দেওয়ায় সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।
জানা যায়, ঢাবি অধিভুক্ত অনার্সের ২০২১-২০২২, ২০২২-২০২৩ ও ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্তরের বিষয় নিয়ে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালমা বেগম।
চলমান সেশনগুলোকে নতুন সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে শেষ করার পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় মো. সানি নামের এক শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালায় ঢাবির অধীনে থাকার পক্ষের একদল শিক্ষার্থী।
সানি অভিযোগ করে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক ট্রান্সক্রিপশন নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইমরান নামে একজন আমার কলার ধরে স্টেজ থেকে নামিয়ে মারধর করে। প্রতিবাদ জানালে আমার সহপাঠী সালমান ও টুটুলকে চোখে-মাথায় আঘাত করা হয়।’ গুরুতর আহত অবস্থায় সালমান বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পরবর্তীতে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালমা বেগম বক্তব্য দেওয়া শুরু করলে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেত্রী সানজিদা তাকে বাঁধা দেন। এতে সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়।
পরিস্থিতি নিয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালমা বেগম বলেন, ‘নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চালুর পেছনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। কাউকেই জোর করে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধীনে নেওয়া হচ্ছে না। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মন্ত্রণালয়ের আলোচনার মাধ্যমেই সবার জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
বিষয়টি নিয়ে সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ ড. ছদরুদ্দীন আহমদের সাথে ফোন কলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।