Monday 10 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

মৃত্যুদণ্ড রায়ের বিরুদ্ধে মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১০ আগস্ট ২০২৬ ১৬:০৪

আবুল কালাম আজাদ।

ঢাকা: মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের খালাস চেয়ে আপিল করেছেন।

‎সোমবার (১০ আগস্ট) আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় তার আপিলটি শুনানির জন্য রয়েছে।

‎১৩ বছর পলাতক থাকার পর সম্প্রতি আত্মসমর্পণ করা এই আসামিকে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আপাতত কারাগারে না থাকার আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

‎‎গত ২১ জানুয়ারি বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এক আদেশে বলেন, আপিল বিভাগ কোনো নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত আবুল কালাম আজাদ ‘যেমন আছেন, তেমনই থাকবেন’।

বিজ্ঞাপন

‎মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল-২ এর তৎকালীন চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ওই সময় থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

‎‎আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়েছিল। এর মধ্যে সাতটি অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তিনটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং বাকি চারটি অভিযোগে কারাদণ্ডের সাজা দেয়া হলেও মৃত্যুদণ্ডের সাজা হওয়ার কারণে আলাদা করে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়নি। একটি অভিযোগ প্রমাণের অভাবে খারিজ করা হয়।

‎আবুল কালাম আজাদের এই রায়ই ছিল যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কিত প্রথম মামলার রায়। তবে রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।

‎গত ২১ জানুয়ারি সকালে তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে হাজির হন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত তার আত্মসমর্পণ আবেদন মঞ্জুর করেন এবং মামলার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

‎আদালত শুরুতে তাকে কারাগারে পাঠানোর মৌখিক আদেশ দিলেও পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাজা স্থগিতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগের অবস্থানেই (মুক্ত অবস্থায়) থাকার অনুমতি দেন।

‎আবুল কালাম আজাদের আইনজীবী মো. মশিউল আলম তখন ট্রাইব্যুনালে বলেন, তার মক্কেলের বয়স এখন ৮০ বছর এবং তিনি শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছে। এই অবস্থায় আপিল চলাকালীন তাকে কারামুক্ত রাখার আবেদন জানানো হয়।

‎ট্রাইব্যুনাল তখন আদেশে উল্লেখ করেন, যতক্ষণ না আপিল বিভাগ এ বিষয়ে কোনো যথাযথ আদেশ দিচ্ছেন, যতক্ষণ না আপিল বিভাগ এ বিষয়ে কোনো যথাযথ আদেশ দিচ্ছেন, ততক্ষণ আজাদ যে অবস্থায় আছেন সেভাবেই থাকবেন।

‎সারাবাংলা/এনএল/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর