ঢাকা: দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে ও উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। এর ফলে বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থানরত নিম্নচাপটি আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে এবং পরবর্তীতে এটি একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মা নদ-নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং এরপরের তিন দিন পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে সব নদীর পানিই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, তিস্তা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেলেও ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। এছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে, যা আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের নদীগুলোর মধ্যে সাঙ্গু ও গোমতী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেলেও হালদা, মাতামুহুরী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি সমতল কমেছে। এসব নদীর পানি আগামী দুই দিন কমতে পারে এবং পরবর্তী এক দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।