Saturday 08 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘অভিন্ন নদীতে বাংলাদেশের হিস্যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা শিগগিরই’

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৫:৩০ | আপডেট: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৮:৪৯

ঢাকা: অভিন্ন নদীতে বাংলাদেশের পানির অধিকার ও হিস্যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার জন্য শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক নদীর পানি ভাগাভাগির বিষয়টি অত্যন্ত জটিল হলেও জরুরি তথ্য ভাগাভাগি রাজনীতি নয়। কোথায় কোথায় অবকাঠামো, কী পরিমাণ বৃষ্টিপাত তা জানাতে পারে। সে ক্ষেত্রে জানমালের ক্ষতি ও অনেক প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। জনগণের কথা শুনে এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে। আলোচনার ফলাফলও জনগণকে জানানো হবে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পানি ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে ‘অভিন্ন নদীতে বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকার’ শীর্ষক এক বিশেষ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতে একটি দেশ এককভাবে যেতে পারে না, দুটি দেশকে যেতে হয়। বৃষ্টির পানির তথ্য শেয়ার করা ইস্যুটি মানবিক। মানুষকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। জোরালো ও স্পষ্টভাবে বাংলাদেশের এ দাবি জানানো হবে।

পরিবেশ উপদেষ্টা আরও বলেন, শুধু আন্তর্জাতিক নদীর হিস্যাই নয়, অভ্যন্তরীণ নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে। নদী একটি জীবন্ত সত্ত্বা। তাই সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশের নদীগুলোকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব নদী দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক মিহির বিশ্বাস। পরিচালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মো. এজাজ। বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদাসহ অন্যরা।

সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক, পরিবেশবিদ ও সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন। বক্তারা অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা নদী ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ, সঠিক পানির হিসাব এবং দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক আলোচনা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সারাবাংলা/জেআর/টিআর
বিজ্ঞাপন

আরো