Friday 28 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

রিসিভার নয়, বেক্সিমকো চলবে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়: হাইকোর্ট

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১২ মার্চ ২০২৫ ২০:১২ | আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:১৪

ঢাকা: রিসিভার নয়, যথাযথভাবে আইন মেনে বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানিজকে এখন থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলার অনুমতি দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। হাজার হাজার শ্রমিক ও কর্মীর স্বার্থ বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও অন্যান্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থার তদারকিতে প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

একইসঙ্গে, বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানিজে রিসিভার নিয়োগ এবং সম্পত্তি অ্যাটাচমেন্টে (সংযুক্ত) অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের প্রয়োজনীয়তা না থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের দাখিল করা প্রতিবেদন উল্লেখ করে আদালত বলেন, এতে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংকগুলো ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানিজের সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ক্ষেত্রে খেলাপি ও শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ে তাদের দায়িত্ব পালনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে; এর পরিণতি শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে।

রায়ে আদালত বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক, অন্য সব সংশ্লিষ্ট তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানিজের ঋণ অনুমোদন সুবিধার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং বিধিবিধান লঙ্ঘিত হওয়ায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানিজের প্রশ্নবিদ্ধ ঋণসুবিধা দেওয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দায়ী হলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হলো।

আদালতে রিটের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান ও আইনজীবী ফাতেমা এস চৌধুরী শুনানিতে ছিলেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনীরুজ্জামান। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও আইনজীবী আনিসুল হাসান শুনানিতে ছিলেন।

এদিকে,বুধবার (১২ মার্চ) বেক্সিমকো গ্রুপের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বেক্সিমকো তার শ্রমিকদের সকল বকেয়া পরিশোধ চলমান রেখেছে। এক পর্যন্ত ২৮ হাজার ৯৮৭ জন শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়া ক্রমাগত চলতে থাকবে, যতোক্ষণ না বাকি সকল কারখানার শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সমস্ত বকেয়া সম্পূর্ণ পরিশোধ করা হয়।

সারাবাংলা/ইএইচটি/আরএস