Friday 28 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কমিশনারদের সঙ্গে অশোভন আচরণ, বিএসইসির পরিচালক মোহতাছিন বিল্লাহ গ্রেফতার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৪ মার্চ ২০২৫ ২২:১০ | আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৫ ১৪:১৯

ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনারদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও অরাজকতার অভিযোগে বিএসইসির পরিচালক আবু রায়হান মো. মোহতাছিন বিল্লাহকে (৫১) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এর আগে ভোরে পটুয়াখালীতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শেরেবাংলানগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম।

ওসি বলেন, অভিযুক্ত আসামিদের ধরতে প্রতিদিন অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানেই মোহতাছিন বিল্লাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে বিএসইসি চেয়ারম্যানের গানম্যান মো. আশিকুর রহমান বাদি হয়ে শেরে বাংলা নগর থানায় ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

ওই সময়ের ওসি গোলাম আজম মামলার বিষয়ে বলেছিলেন, প্রাথমিক তদন্তকাজ চলছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রেফতার আছে কিনা জানতে চাইলে ওসি বলেছিলেন, ‘এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধতন কর্মকর্তারা দেখছেন।’

তিন দিন পার হলেও একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে না পারায় ওসি গোলাম আজমকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তার স্থলে ওসির দায়িত্ব পান আব্দুল কাইয়ুম। তিনি যোগদান করেই একজনকে গ্রেফতার করেছেন। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মামলায় ১৬ আসামি হলেন, বিএসইসির সাবেক নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান (৫৮), নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল আলম (৫৭), নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম (৫৪), পরিচালক আবু রায়হান মো. মোহতাছিন বিল্লাহ (৫১), অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম (৫০), যুগ্মপরিচালক রাশেদুল ইসলাম (৪৮), উপপরিচালক বনী ইয়ামিন (৪৫), উপপরিচালক আল ইসলাম (৩৮), উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম (৪২), উপপরিচালক তৌহিদুল ইসলাম (৩২), সহকারী পরিচালক জনি হোসেন (৩১), সহকারী পরিচালক রায়হান কবীর (৩০), সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন (৩০), সহকারী পরিচালক আব্দুল বাতেন (৩২), লাইব্রেরিয়ান মো. সেলিম রেজা বাপ্পী(৩১) ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আবু ইউসুফকে (২৯)।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে এবং কমিশনার মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর ও ফারজানা লালারুখের উপস্থিতিতে কমিশনের নির্ধারিত সভাকক্ষে সভা চলাকালে অভিযুক্তরাসহ আরও কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী কমিশনের সভাকক্ষে জোরপূর্বক ও অনধিকার প্রবেশের মাধ্যমে কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদেরকে অবরুদ্ধ করে। এরই মধ্যে পূর্ব পরিকল্পনা মতে এবং অবৈধ বাঁধা যারা সৃষ্টি করার জন্য আসামিরা কমিশনের মূল ফটকে তালা দেয়। সিসি ক্যামেরা, ওয়াই-ফাই, কমিশনের লিফট বন্ধ করে দেয় এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করে মারাত্মক অরাজকতা ও ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গুরুতর জখমের প্রচেষ্টা করে।

সারাবাংলা/ইউজে/এইচআই