Tuesday 01 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কাশ্মীর ইস্যুতে হামলায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে পাকিস্তান 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৬:৩২ | আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৫ ১৭:৩৯

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ পহেলগাম হত্যাকাণ্ডে তার দেশের কোনও প্রকার ভূমিকা থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

ভারত সরকারের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহকে দেশীয় বিদ্রোহ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন যে এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দোষারোপ করা সহজ। খাজা আসিফ এর পরিবর্তে ভারতকে পাকিস্তানের বিষয়ে হস্তক্ষেপের জন্য অভিযুক্ত করেছেন। যা দিল্লি অতীতে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে।

ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই কাশ্মীরের দাবিদার, সেখানে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে কয়েক দশক ধরে বিদ্রোহ চলছে, দিল্লি ইসলামাবাদকে অর্থায়ন ও সমর্থন করার অভিযোগ করেছে। পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

বিজ্ঞাপন

কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় পর্যটক নিহতের ঘটনা ভারত-পাকিস্তানের পুরোনো দ্বন্দ্বকে সামনে আনছে। হামলার দায় স্বীকার করা গোষ্ঠীকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে পাকিস্তানপন্থি বলে জোর প্রচার চলছে। চাপা উত্তেজনায় এবার আরেকটি সংবাদ দেশটিতে গুরুত্ব পাচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার দিন তুরস্ক সফরে ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে কাশ্মীর ইস্যু তোলেন। এরদোয়ান ওই বৈঠকে পাকিস্তানকে সমর্থন জানালে শাহবাজ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। হামলার কয়েক ঘণ্টা পর আঙ্কারায় এরদোয়ানের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন শরিফ। তিনি কাশ্মীরের প্রতি তুরস্কের অটল সমর্থনের জন্য এরদোয়ানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি তুরস্কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অপরদিকে এরদোয়ান সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তানের প্রচেষ্টার প্রতি তুরস্কের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাশ্মীরের পহেলগামের বৈসরন উপত্যকায় সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২৬ পর্যটক নিহত হয়েছেন। কাশ্মীর রেজিস্ট্যান্স নামের গোষ্ঠীটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা এক বার্তায় হামলার দায় স্বীকার করেছে।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) এক নতুন বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি বলেছে, লক্ষ্যবস্তু করা ব্যক্তিরা সাধারণ পর্যটক ছিলেন না। বরং তারা ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এবং তাদের হয়ে কাজ করছিলেন।

সারাবাংলা/এমপি
বিজ্ঞাপন

আরো