Tuesday 01 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চট্টগ্রাম কারাগারে হৃদরোগে বন্দির মৃত্যু

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৫ এপ্রিল ২০২৫ ১৮:০৪

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর এক বন্দি যুবকের হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। কারা কর্মকর্তারা এ অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়িতে দায়িত্বরত এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার সারাবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

মৃত ফারজান হোসেন সজীব (৩৬) চট্টগ্রাম নগরীর বকশিরহাট এলাকার রামজয় মহাজন লেইনের বাসিন্দা মো. রফিকের ছেলে। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।

সূত্র জানায়, সজীব একসময় বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। সর্বশেষ তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

গত ২৬ মার্চ রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে সজীবকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন তাকে ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজিরের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ‘সজীব ২৭ মার্চ থেকে কারাগারের যমুনা ভবনের সাত নম্বর ওয়ার্ডে ছিলেন। আজ (শুক্রবার) সকালে সজীব বুকে ব্যাথা অনুভব করার কথা জানালে তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।’

চিকিৎসকের প্রতিবেদনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সজীবের মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জেল সুপার জানান।

এদিকে চমেক হাসপাতালে উপস্থিত সজীবের স্বজনরা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন, সকালে কারাগারের সেলে বন্দিদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। বেধড়ক পিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে।

সজীবের শরীরের নির্যাতনের একাধিক চিহ্ন আছে বলেও দাবি স্বজনদের।

জানতে চাইলে জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ শুনে যমুনা ভবনের সাত নম্বর সেলে গিয়ে তদন্ত করা হয়েছে। সেখানে সকালে মারামারির কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ পাইনি। অসুস্থ সজীব নিজে হেঁটে কারা হাসপাতালে গিয়েছিল। চমেক হাসপাতালে নেওয়ার পর গাড়ি থেকে নেমে সে হেঁটেই হাসপাতালে ঢুকেছিল।’

সারাবাংলা/আরডি/এইচআই
বিজ্ঞাপন

পুলিশের শীর্ষ ৬ কর্মকর্তার রদবদল
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৩৬

আরো