শিক্ষা ও সংস্কৃতির পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া আরও সুদৃঢ় করতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘গ্রেট জার্নি, শেয়ার্ড ফিউচার’ শীর্ষক এক সাংস্কৃতিক আয়োজন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার (১ জুলাই) ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), চীনের দূতাবাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট-এর যৌথ উদ্যোগে ইউল্যাব ক্যাম্পাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে চীনের লং মার্চ বিজয়ের ৯০তম বার্ষিকীও স্মরণ করা হয়।
দিনব্যাপী এ উদযাপনে ছিল ফটো-ভিডিও প্রদর্শনী, বই ও চীনের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি প্রদর্শনী। এদিন ইউল্যাব শিক্ষার্থীরা চীনের ঐতিহ্যবাহী ক্যালিগ্রাফি ও পেপার কাটিং শিল্পের প্রদর্শনীও উপভোগ করেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের-এর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ঐতিহ্যবাহী চীনা বাদ্যযন্ত্র ‘গুঝেং’-এ পরিবেশনা করা হয়।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা। অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে ‘দ্য স্টোরি অব দ্য কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না’ শীর্ষক বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশের চীনা দূতাবাসের সংস্কৃতিবিষয়ক কাউন্সিলর ন লি শাওপেং। অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক ড. ইয়াং হুই এবং বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি হুয়াং মউকং। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চীনা প্রতিনিধি, ইউল্যাবের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিককর্মীরা।
অনুষ্ঠানে কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার ঐতিহাসিক অবদান, লং মার্চ বিজয়ের তাৎপর্য, চীনের উন্নয়নের যাত্রা, দেশটির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের ছবিগুলো ফ্রেমবন্দি করেন সারাবাংলার সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট হাবিবুর রহমান।