বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় দলের নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তি অনুমোদনের পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে নারী কোচ নিয়োগ এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও বেশি খেলোয়াড়কে চুক্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে দেশে ফিরে সংক্ষিপ্ত বিরতি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। বর্তমানে সিলেটে চলছে ফিটনেস ক্যাম্প। আগামী ১০ আগস্ট থেকে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে স্কিল ট্রেনিং ক্যাম্প।
বোর্ডের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত জাতীয় দলের ১৭ জন নারী ক্রিকেটার কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় থাকবেন। সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে জায়গা পেয়েছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি, স্পিনার নাহিদা আক্তার এবং ব্যাটার শারমিন আক্তার সুপ্তা।
এ ছাড়া ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে সাতজন ক্রিকেটারকে। ‘সি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন দুইজন এবং ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন পাঁচজন।
জাতীয় দলের পাশাপাশি ঘরোয়া নারী ক্রিকেটের পরিধিও বাড়াচ্ছে বিসিবি। আগামী মৌসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের জন্য ৩৭ জন নারী ক্রিকেটারকে চুক্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে জাতীয় দল ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট মিলিয়ে মোট ৫৪ জন নারী ক্রিকেটার বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তির সুবিধা পাবেন।
নারী ক্রিকেটের তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়নেও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বোর্ড। দেশের আটটি বিভাগে আটজন নারী কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সাবেক নারী ক্রিকেটারদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি লেভেল-১ কোচিং সনদধারীদেরও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিসিবি।
বোর্ডের আশা, জাতীয় দলের পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়ে দক্ষ কোচ নিয়োগ এবং চুক্তিভুক্ত খেলোয়াড়ের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের নারী ক্রিকেটের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।