Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বাংলাদেশের আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছে ফিফা

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
১৮ আগস্ট ২০২৬ ১৫:৫৭

মালদ্বীপে চার জাতির টুর্নামেন্টে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার জেরে বড় শাস্তি পেলেন বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড আল-আমিন। মাঠে রেফারির সঙ্গে অসদাচরণ ও পরবর্তী হাতাহাতির ঘটনায় ফিফা তাঁকে ১৫ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে তাঁর।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানায়নি। তবে বাফুফের একটি সূত্র জানিয়েছে, কয়েক দিন আগেই ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার চিঠি পেয়েছে ফেডারেশন।

জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ম্যাচ খেলা আল-আমিনের জন্য শাস্তিটি বেশ বড়। বাংলাদেশ সাধারণত বছরে সাত থেকে আটটির বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে না। ফলে নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে প্রায় দুই বছর আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে থাকতে হতে পারে এই ফরোয়ার্ডকে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশি ফুটবলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় ব্যক্তিগত নিষেধাজ্ঞা। এর আগে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে রেফারিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তৎকালীন বাংলাদেশ অধিনায়ক ইলিয়াস হোসেনকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আল-আমিনের জন্য অবশ্য শাস্তির ঘটনা এটাই প্রথম নয়। নীলফামারীর এই ফুটবলার ২০২০-২১ মৌসুমে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘে খেলেছিলেন। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্লাবটি নিষিদ্ধ হওয়ার পর কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে আল-আমিনও এক বছরের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন।

এবারের ঘটনার সূত্রপাত গত ৭ জুন মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচে। দেশটির ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টের ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচটি শেষদিকে রূপ নেয় উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনায়।

যোগ করা সময়ে বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পড়ে যান মালদ্বীপের হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিক দিলে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেন।

সাইড বেঞ্চ থেকে উঠে এসে প্রতিবাদ করায় লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল ইসলাম। এরপর মাঠে রেফারির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় আল-আমিনকেও লাল কার্ড দেখানো হয়। কার্ড পাওয়ার পর উত্তেজিত হয়ে রেফারিকে ধাক্কা দেন তিনি।

এর কিছুক্ষণ পর আবারও দুই দলের খেলোয়াড়েরা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। বাংলাদেশের মনজুরুর রহমান ও মালদ্বীপের ইব্রাহিম নাসিরের মধ্যে বাদানুবাদ থেকে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরে দুই দলের খেলোয়াড়েরা সেখানে জড়ো হয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।

সারাবাংলা/এসএইচএস
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর