Wednesday 30 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চৌগাছায় সাবেক ওসিসহ ৪ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১২ | আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১৪

পুলিশ কর্মকর্তা, যার বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা।

যশোর: যশোরের চৌগাছা উপজেলায় চাঁদাবাজি, মারপিট ও লুটপাটের অভিযোগে এক সাবেক ওসিসহ চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলার মাকাপুর গ্রামের তামান্না নাজনীন লাভলি বাদী হয়ে মামলাটি করেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রিয়াজ অভিযোগটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপারকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী তাহমিদ আকাশ।

মামলার আসামিরা হলেন চৌগাছা থানার সাবেক ওসি (বর্তমানে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার ওসি) আনোয়ার হোসেন, চৌগাছা থানার সাবেক এসআই (বর্তমানে ঝিকরগাছা থানায় কর্মরত) মেহেদী হাসান মারুফ, চৌগাছা থানার এসআই হোসেন পাটোয়ারী ও এএসআই আব্দুর রহমান শান্ত।

বিজ্ঞাপন

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর পৈতৃক প্রায় ৪০ বিঘা জমি বণ্টনকে কেন্দ্র করে তার মেজ ভাই ব্যারিস্টার একেএম মোর্তজার সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরে তাকে ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল থানায় ডেকে নিয়ে বাদী ও তার স্বজনদের জেল খাটানোর ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন ওসি আনোয়ার হোসেন। পরে রাতে মাকাপুর মুকুট ঢালির পার্কের সামনে বাদীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়া হয় এবং বাকি টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে দিতে বলা হয়।

টাকা না দেওয়ায় ৬ মে আসামিরা আবার ওই এলাকায় গিয়ে বাদীকে খুঁজতে থাকেন। এ সময় তার ভাগ্নে সিয়ামকে পেয়ে মারধর করা হয়। পরে একই দিন সন্ধ্যায় বাদীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও ৪০ বস্তা সিদ্ধ ধান লুট করার অভিযোগও করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের গুমের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী থানায় মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ করা হয়নি বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে তিনি আদালতের আশ্রয় নেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাহমিদ আকাশ বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারীর কাছে আসামিরা মামলার ভয় দিয়ে বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করত। আসামিরা থানার কর্মকর্তা হওয়াতে বাদি ভয়ে তাদের কিছু টাকা দেয়। আসামিদের দাবির পুরো টাকা না দেওয়াতে একপর্যায়ে ভুক্তভোগী নারীকে কখনো পুলিশ বাদি হয়ে কিংবা অন্য লোকদের দিয়ে মামলা করিয়ে হেনস্তা করতেন। আসামিরা থানায় কর্মরত থাকায় ঐ সময়ে মামলা করার সাহস পায়নি। এখন অনুকূল পরিবেশ পাওয়াতে ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিচারক এই মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’

সারাবাংলা/এআর
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর