নোয়াখালী: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া এক কিশোরীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষিকার বাবার বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
একই দিন রাতে চরজব্বর থানায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
গ্রেফতার কামাল উদ্দিন ওরফে সিএনজি কামাল (৫৫) উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিয়াছ সওদাগরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত কামালকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার সকালে কিশোরীটি তার শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। ছাত্রী শিক্ষিকার ঘরে গিয়ে দেখেন তিনি ঘরে নেই। শিক্ষিকার বাবা সিএনজি চালক কামাল উদ্দিন দরজা খুলে ছাত্রীকে ঘরে ডেকে নেন। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকেই না জানাতে ৫০০ টাকা দিয়ে ওই ছাত্রীকে বিদায় করে দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। পরে ওই রাতে এলাকাবাসী সিএনজিচালক কামাল উদ্দিনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে চরজব্বর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল হাসান বলেন, ‘নির্যাতিত ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে পাঠানো হয়েছে।’