Wednesday 22 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

‘আন্দোলনে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে’

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২০ জুলাই ২০২৬ ২২:২৩ | আপডেট: ২১ জুলাই ২০২৬ ১৫:৩৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

ঢাকা: জুলাই অভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশ ও জনগণের অধিকার আদায়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে রুখে দাঁড়ানো মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অসামান্য অবদানের আনুষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্দোলনের গতি যখন শিথিল হয়ে আসছিল, তখন মাদরাসা এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজই রাজপথে নেমে এসে নতুন করে উদ্দীপনা ও রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের জোয়ার সৃষ্টি করেছিল।

সোমবার (২০ জুলাই ) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার বিএমএ ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জুলাইয়ের রক্তাক্ত জুব্বা: মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবদান’ শীর্ষক বিশেষ সেমিনারে বক্তব্য রাখার সময়ে তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

নাহিদ ইসলাম বলেন, এ দেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় অধিকার সুরক্ষার যেকোনো আন্দোলনে আলেম সমাজ ও মাদরাসা শিক্ষার্থীরাই সব সময় নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। বিগত কয়েক দশক ধরেই নানা সময়ে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের রক্তে তাদের জুব্বা রঞ্জিত হয়েছে এবং এটি কেবল দেশেই নয়, বিশ্বজুড়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।

অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানের এক মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় এই শীর্ষ নেতা বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্খাকে বিকৃত করা একেবারেই অনুচিত। আন্দোলন পরবর্তী সময়ে বর্তমান বাংলাদেশ গঠনে যে কাঠামোগত পরিবর্তনের দাবি উঠেছে, তা জনগণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নেরই একটি অংশ। তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় গণতন্ত্র হত্যা, গুম ও দুর্নীতি চালানো হয়েছিল, যার সুবিধা পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের গণভোট ও বৈষম্যহীন নতুন রাষ্ট্র গড়ার ইচ্ছাকে বাদ দিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া সঠিক হবে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, রাষ্ট্র কাঠামোর সার্বিক সংস্কার জোরদার না করে যদি কোনো প্রহসনমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়, তবে রাজপথে নেমে আন্দোলন জোরদার করা হবে।

আলোচনা সভায় বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার, মুসা আল হাফিজ, সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনসহ ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের শীর্ষ সারির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর