Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

কোর্টের রায় উপেক্ষা করে বৈশ্বিক শুল্ক ১৫% করলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৫ | আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৈশ্বিক আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট তার পূর্ববর্তী শুল্ক নীতি বাতিল করার কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, নতুন শুল্কহার তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে। তিনি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অযৌক্তিক, আমেরিকা-বিরোধী বলে আখ্যা দেন।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ছয় বনাম তিন ভোটে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, প্রেসিডেন্ট এককভাবে শুল্ক নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারেন না, কারণ কর আরোপের সাংবিধানিক ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের হাতে ন্যস্ত।

বিজ্ঞাপন

আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি ক্ষমতা আইন ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ ব্যবহার করে প্রায় সব দেশের ওপর আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়। রায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বিচারকদের তীব্র সমালোচনা করেন এবং দ্রুত ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২ অনুযায়ী নতুন নির্বাহী আদেশে ১০ শতাংশ সার্বজনীন শুল্ক আরোপ করেন।

শনিবার ঘোষিত ১৫ শতাংশ শুল্কহার ওই আইনের অধীনে সর্বোচ্চ অনুমোদিত হার। তবে এই শুল্ক সর্বোচ্চ ১৫০ দিন কার্যকর থাকবে, যদি না কংগ্রেস তা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। এর আগে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেকশন ১২২ ব্যবহার করেননি, ফলে নতুন করে আইনি চ্যালেঞ্জের সম্ভাবনা রয়েছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, ধাতু ও জ্বালানি পণ্যের মতো কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ছাড় থাকবে।

জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় আরোপিত আমদানি শুল্ক থেকে মার্কিন ট্রেজারি গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১৩৩ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি মামলা দায়ের করেছে শুল্ক ফেরতের দাবিতে।

দেশীয় শিল্প পুনরুজ্জীবন, মাদক পাচার মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই শুল্ক নীতিকে ব্যবহার করে আসছেন। বিদেশি সরকারগুলোর কাছ থেকে বাণিজ্য ছাড় আদায় করতেও তিনি শুল্ককে চাপ সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর