Sunday 26 July 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চলতি অর্থবছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৬ জুলাই ২০২৬ ১৮:০১

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে পণ্য রফতানি খাতে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রফতানির খাতে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় খাতেই ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য ধরা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশের রফতানি খাত ঘুরে দাঁড়ানোর বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ, বিনিয়োগ সহজীকরণ এবং সরকারি সেবার প্রক্রিয়া সরলীকরণের মাধ্যমে রপ্তানিতে নতুন গতি আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ)-এর আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে চলতি বছরের মধ্যেই এফটিএ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গেও শিগগিরই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রফতানির প্রায় ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফুটওয়্যার, জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ পুনর্ব্যবহার, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এসব খাতের বিকাশে শিগগিরই সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ওপর কার্যকর শুল্ক কাঠামোয় নতুন কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের ১০ শতাংশ শুল্কই বহাল থাকায় দেশের রপ্তানিতে নতুন করে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।

গ্যাস সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কারণে শিল্প খাতের উৎপাদন সক্ষমতার একটি অংশ এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত এলএনজি পুনর্গ্যাসীকরণ ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নীতিগত স্থিতিশীলতা, ব্যবসাবান্ধব সংস্কার, নতুন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বৃদ্ধির ফলে আগামী অর্থবছরে নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর