ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মুখে। তবে ইউরোপীয় ফুটবল মহলের চাপের মধ্যেও আরব, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশের সমর্থন তার অবস্থানকে কিছুটা শক্তিশালী করেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা বাতিল হওয়ার পর ইনফান্তিনোকে ঘিরে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। প্রায় ৩.১ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের ওই অংশ বিক্রির প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন তিনি। এরপর উয়েফা ও কনকাকাফ শুধু প্রস্তাবের বিরোধিতাই করেনি সঙ্গে ইনফান্তিনোর পদত্যাগও দাবি করেছে।
তবে এই সংকটের মধ্যেই ইনফান্তিনোর পাশে দাঁড়িয়েছে কুয়েত, কাতার, শ্রীলঙ্কা ও লেবানন। ডেইলি মেইল জানিয়েছে, এই চার দেশের প্রকাশ্য সমর্থন তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে বাড়তি শক্তি জুগিয়েছে।
বর্তমানে উয়েফা ও কনকাকাফের অধীনে ফিফার ২১১ সদস্যের মধ্যে ৯৬টি সদস্য ফেডারেশন রয়েছে। অনাস্থা ভোটের প্রক্রিয়া শুরুর জন্য এই সংখ্যা যথেষ্ট হলেও ইনফান্তিনোকে অপসারণের জন্য তা পর্যাপ্ত নয়। কারণ আফ্রিকার অধিকাংশ সদস্য ফেডারেশনের সমর্থন এখনো তার পক্ষেই রয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোরও তাকে সমর্থন দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে সম্ভাব্য যেকোনো ভোটে এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর অবস্থানই হতে পারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উয়েফা ও কনকাকাফের দাবি, বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রস্তাব ফিফার প্রশাসনিক কাঠামো ও সুশাসন নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। তাদের মতে পুরো বিষয়টি ফিফার নেতৃত্বের ওপর পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা সামনে এনেছে।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। মিসর, কাতার ও মরক্কো এরই মধ্যে পৃথক বিবৃতিতে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।