Monday 31 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ পুনর্গঠনে বাড়ল সময়, মিলবে ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৮:৩৮

ঢাকা: ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা ও আর্থিক অবস্থা পুনর্গঠনে নীতি সহায়তা পাওয়ার আবেদন করার সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন করে আবেদন করা যাবে।

এ ছাড়া কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণের স্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিল করা যাবে। বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত মেয়াদ দেওয়া যাবে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থে‌কে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো ওই নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের নীতি সহায়তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের বিআরপিডি সার্কুলার-৭/২০২৫-এর আওতায় নীতি সহায়তা পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নতুন আবেদন করার শেষ সময় ছিল। নতুন নির্দেশনায় সেই সময় বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ করা হয়েছে।

যেসব ঋণগ্রহীতা ইতিমধ্যে ব্যবসা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য গঠিত নীতি সহায়তা-সংক্রান্ত বাছাই কমিটি থেকে সহায়তা পেয়েছেন, তাঁরাও নতুন করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন।

কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে বিশেষ পুনঃতফসিলের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা যাবে। আর বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়মে নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ চার বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

অন্যদিকে, কোনো একক প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপের ঋণস্থিতি ১ হাজার কোটি টাকার কম হলে বিশেষ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিআরপিডি সার্কুলার-৭/২০২৫-এ নির্ধারিত মেয়াদই প্রযোজ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের সার্কুলার বা বাছাই কমিটির আওতায় যারা নীতি সহায়তা পেয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও নতুন সুবিধা প্রযোজ্য হবে। এ ক্ষেত্রে আগে পার হয়ে যাওয়া গ্রেস পিরিয়ডকে বিদ্যমান গ্রেস পিরিয়ডের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত মেয়াদ বাড়ানো যাবে।

নতুন আবেদনের ক্ষেত্রে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অশ্রেণীকৃত ঋণ—এসটিডি-০, এসটিডি-১, এসটিডি-২ ও এসএমএ—বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী বিশেষ পুনর্গঠনের সুবিধা পাবে।

আর বিরূপভাবে শ্রেণীকৃত এসএস, ডিএফ ও বিএল ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষ পুনঃতফসিলের সুবিধা দেওয়া যাবে।

এ সার্কুলারের আওতায় করা সব আবেদন প্রয়োজনীয় ডাউন পেমেন্ট গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।

তবে আগের সার্কুলার এবং তার ধারাবাহিকতায় জারি করা অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর