Friday 04 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

সমাজে মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন শ্রীকৃষ্ণ: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৪১ | আপডেট: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:২৫

প্রধানমন্ত্রী তাকের রহমান

ঢাকা: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রীকৃষ্ণ তার জীবন ও কাজের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের বার্তা ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিজ্ঞাপন

কেউ যেন সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। শ্রীকৃষ্ণের মহতী দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, শ্রীকৃষ্ণ তার জীবন ও কাজের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন তিনি প্রচার করেছেন, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব মানুষের জন্যই গভীর প্রেরণাদায়ক।

একটি সুশীল রাষ্ট্র ও সমাজে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মেলবন্ধন থাকে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশেও যুগ যুগ ধরে সর্বস্তরের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই আবহমান সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা নাগরিক হিসেবে সবার পবিত্র দায়িত্ব। উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্রানুসারে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আগমন ঘটে অবতার শ্রীকৃষ্ণের। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের পাপাচার যখন চরমে পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে অত্যাচারী কংসকে নিধন করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনই ছিল শ্রীকৃষ্ণের মূল ব্রত।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর