Thursday 27 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নির্বাচনে অংশ নেবে কি না সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের: প্রধান উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ মার্চ ২০২৫ ১০:৩২ | আপডেট: ৬ মার্চ ২০২৫ ১০:৫৬

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি

ঢাকা: আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে কি না সেটি তাদের সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

সাক্ষাতকারে আওয়ামী লীগের আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তারাই (আওয়ামী লীগ) সিদ্ধান্ত নেবে, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না। আমি তো তাদের হয়ে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। নির্বাচনে কে অংশ নেবে, তা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে।

বিজ্ঞাপন

চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রত্যাশা অনুযায়ী সংস্কার দ্রুত হলে নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে, আর সংস্কারের বেশি দরকার হলে নির্বাচন হতে আরও কয়েক মাস লাগতে পারে।

বর্তমানে অর্থনীতি, শান্তি এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সম্পূর্ণ একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে তাদের দায়িত্ব নিতে হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি গেল বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে পরিস্তিতি ঠিক আছে বলে মত দেন প্রধান উপদেষ্টা।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক শেখ হাসিনার এক ইউটিউব ভাষণের ঘোষণার পর আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার বাড়িতে হামলা হয়। এমনকি শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িও ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছে, অন্তর্বর্তী সরকার এই সহিংসতাকে ন্যায়সংগত বলে উপস্থাপন করছে। এ বিষয়ে বিবিসি ড. ইউনূসের কাছে জানতে চাইলে, তিনি তার সরকারের অবস্থানকেই সমর্থন করেন।

আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সম্পত্তি নষ্ট করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘আদালত আছে, আইন আছে, থানায় অভিযোগ করা যায়। আপনি কেবল বিবিসির প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ জানিয়ে বসে থাকবেন না, থানায় গিয়ে অভিযোগ করুন এবং দেখুন আইন কীভাবে কাজ করে।’

তিনি বলেন, শান্তি ও শৃঙ্খলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস এবং এরপর অর্থনীতি। সাবেক সরকারের রেখে যাওয়া এটি এক ছিন্নভিন্ন অর্থনীতি, বিধ্বস্ত অর্থনীতি। এটা এমন কিছু যেন ১৬ বছর ধরে কিছু ভয়ানক টর্নেডো হয়েছে এবং আমরা এখন টুকরোগুলো তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছি।”

সারাবাংলা/ইআ