Thursday 20 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

যাকাত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী হলে দারিদ্র্য কমানো সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৭ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪৪ | আপডেট: ৭ মার্চ ২০২৬ ২১:৩০

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: দেশে সঠিকভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে যাকাত বণ্টন করা হলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর যমুনায় আলেম-ওলামা, মাশায়েখ ও এতিমদের সম্মানে পবিত্র রমজান উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। এসব পরিবারের মধ্যে দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে পাঁচ লাখ পরিবারকে এক লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হলে অনেক পরিবার পরের বছর আর যাকাতের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না। এভাবে পরিকল্পিতভাবে যাকাত ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করলে দারিদ্র্য বিমোচনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞাপন

আলেম-ওলামা ও মাশায়েখদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যাকাতের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের এই ধারণাটি যদি যৌক্তিক মনে হয়, তাহলে বিত্তবান মানুষদের সচেতন করার ক্ষেত্রে আলেম-ওলামারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, যাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিদ্যমান যাকাত বোর্ড পুনর্গঠন করা যেতে পারে। এ জন্য দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামা, ইসলামি চিন্তাবিদ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি শক্তিশালী কাঠামো গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রতি বছর যাকাতের পরিমাণ প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে। তবে সুসংগঠিত পরিকল্পনার অভাবে এই বিপুল অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

রমজান মাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পবিত্র রমজান ত্যাগ, সংযম ও সহমর্মিতার মাস। অথচ অনেক সময় দেখা যায়, এই মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পবিত্র এই মাসে মানুষের কষ্ট বাড়ায় এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।

ইফতার মাহফিল সম্পর্কে তারেক রহমান জানান, সাধারণত রমজানের শুরুতেই এ ধরনের আয়োজন করা হলেও দেশের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এবার কিছুটা দেরিতে আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে এবার সীমিত পরিসরে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সারাবাংলা/এফএন/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর