Tuesday 18 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

এনআইডি জালিয়াতি: ইসি’র ২ কর্মকর্তার বিভাগীয় শাস্তি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৫ মার্চ ২০২৬ ২০:২১ | আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ২১:০১

ঢাকা: নিয়মের তোয়াক্কা না করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের দায়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দুই কর্মকর্তাকে বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন- বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হক এবং ভোলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম ইশতিয়াক আহমাদ।

বুধবার (২৫ মার্চ) নির্বাচন কমিশনের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই শাস্তির আদেশ জারি করা হয়।

বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের জন্য জারি করা ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, নিয়ম বহির্ভূতভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের অভিযোগে বরিশালের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুল হকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ প্রাথমিক যাচাইয়ে সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়।

বিজ্ঞাপন

এতে আরও বলা হয়েছে, কারণ দর্শানোর জবাব ও ব্যক্তিগত শুনানি শেষে গঠিত তদন্ত বোর্ড অভিযোগ প্রমাণিত বলে প্রতিবেদন দেয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় দফা কারণ দর্শানোর জবাবে তিনি অনিচ্ছাকৃত ভুলের কথা স্বীকার করেন। নথি পর্যালোচনা শেষে তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে ‘তিরস্কার’ এবং এক বছরের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৪/২০২৫ এর মাধ্যমে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।

দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম ইশতিয়াক আহমাদের জন্য জারি করা ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন থেকে জানা যায়, ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাচন অফিসার এস এম ইশতিয়াক আহমাদের বিরুদ্ধে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত ও জন্ম সনদ থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে তিনি নয়টি এনআইডি সংশোধনের আবেদন অনুমোদন করেন এবং প্রযোজ্য নির্দেশনাও অমান্য করেন।

এ ঘটনায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করে শুনানি ও তদন্ত শেষে ‘অসদাচরণ’-এর দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাবসহ সবকিছু পর্যালোচনায় তাকে লঘুদণ্ড হিসেবে বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হয়েছে।

আদেশ অনুযায়ী, তার বর্তমান মূল বেতন ২১,৪৭০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিভাগীয় মামলা নম্বর-১৭/২০২৫ নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এনএল/এসআর
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর