ঢাকা: আমানত বীমা প্রিমিয়াম নির্ধারণের জন্য গ্রাহকের আমানতের তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে গ্রাহকের আমানত পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করে আমানতকারীর সংখ্যা ও মোট আমানতের তথ্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি কার্যকর হওয়া আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬ অনুযায়ী সুরক্ষিত আমানতের সীমা এক লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ টাকা করা হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে আমানত বীমা প্রিমিয়াম নির্ধারণে ব্যবহৃত গ্রাহকের আমানতের তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনের পদ্ধতিও হালনাগাদ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে গ্রাহকের আমানত পাঁচটি স্তরে ভাগ করে তথ্য দিতে হবে। এগুলো হলো—দুই লাখ টাকা পর্যন্ত, দুই লাখ থেকে তিন লাখ টাকা, তিন লাখ থেকে চার লাখ টাকা, চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা এবং পাঁচ লাখ টাকার বেশি। প্রতিটি স্তরে কতজন আমানতকারী রয়েছেন এবং তাদের মোট আমানতের পরিমাণ কত, তা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে আমানত বীমা প্রিমিয়াম নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণ আরও কার্যকর হবে। তবে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জারি করা ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন নির্দেশনা কেবল গ্রাহকের আমানতের শ্রেণিভিত্তিক তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এ নির্দেশনার মাধ্যমে আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও তথ্যভিত্তিক করার পাশাপাশি ব্যাংক খাতে ঝুঁকি মূল্যায়নের প্রক্রিয়াও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।