Saturday 01 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

উজানের ঢলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি বৃদ্ধিতে বাড়ছে বন্যার আশঙ্কা

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
৩১ জুলাই ২০২৬ ১১:৪৭ | আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৭:০৬

ঢাকা: চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সংস্থাটি জানায়, দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি অনেক স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে আগামী ২ থেকে ৬ আগস্টের মধ্যে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সঙ্গে আগামী আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত সারাদেশে বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বন্যা পূর্বাভাস সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, উজান থেকে নেমে আসা ভারী পাহাড়ি ঢল এবং দেশের ভেতরে টানা বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি চলে আসছে। সুরমা, কুশিয়ারা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সংশ্লিষ্ট নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। যমুনা ও মেঘনা নদী অববাহিকাতেও পানির সমতল স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উত্তরাঞ্চলের সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নদী তীরবর্তী এলাকার তথ্য জানিয়ে কর্মকর্তা আরও জানান, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ সংলগ্ন জেলাগুলোর চর অঞ্চল ও নিচু ভূমিতে পানি প্রবেশ করতে পারে। নদী অববাহিকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সবকটি পয়েন্টে পানি প্রবাহ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় জেলা প্রশাসনকে তথ্য সরবরাহ করছে ।

দুর্যোগ মোকাবিলা ও স্থানীয় সুরক্ষার তাগিদ দিয়ে আবহাওয়া ও বন্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে প্লাবিত এলাকার পরিসর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তারা বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। নদী ভাঙন ও ঢলপ্রবণ নিচু এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর