Saturday 29 August 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নেপালে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯, নিখোঁজ ১৯২৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৯ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৮ | আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৬ ১০:৩৬

বন্যায় নিখোঁজদের সন্ধানে চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: বিবিসি

নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৫৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও প্রায় এক হাজার ৯০০ মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্গম পার্বত্য এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম বিবিসি’র বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

নেপালের সঙ্গে চীন সীমান্তবর্তী তিব্বতেও ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এখন পর্যন্ত অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৫৫৪ জন।

বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রাসুয়া থেকে অধিকাংশ মরদেহ নদীর স্রোতে ভেসে নিচের দিকে চলে গেছে বলেও জানায় পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের জন্য ১৪ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারে করে দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং জরুরি ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে এ আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। স্যাটেলাইটের ছবিতে দেখা গেছে, প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহের নিচের অংশের বড় একটি খণ্ড ভেঙে পড়ে। প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার নিচে পড়ে যাওয়ার সময় বরফের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর ও পলি যুক্ত হয়। এই বরফ-পাথরের বিশাল ধস তিব্বতের লেন্দে নদীতে গিয়ে পড়ে। নেপাল-চীন সীমান্তের কাছাকাছি নদীটির ওপর ধ্বংসাবশেষ সাময়িকভাবে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি করে। পরে সেই বাঁধ ভেঙে গেলে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ পানি ও ধ্বংসাবশেষ হঠাৎ করে নিচের দিকে ছুটে যায়। এর ফলেই সৃষ্টি হয় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও কাদার স্রোত।

সারাবাংলা/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর