ঢাকা: হবিগঞ্জে দলীয় নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় দীর্ঘ সাড়ে চার ঘণ্টার আলোচনা, অবস্থান কর্মসূচি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমঝোতার পর শেষ পর্যন্ত মামলা দায়ের করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই মামলায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রিংগনসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই ) রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে গিয়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. তারেক মাহমুদের কাছে লিখিত অভিযোগ হস্তান্তর করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
এর আগে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হলে নিরাপত্তার অজুহাতে শ্রীমঙ্গলের মুছাই এবং পরবর্তী সময়ে বাহুবলের রশিদপুর এলাকায় পুলিশ এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হবিগঞ্জের পুলিশ প্রশাসন এনসিপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে প্রতিনিধি দলকে মামলা দায়েরের সুযোগ করে দেয়।
গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হবিগঞ্জ শহরে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ শেষে সার্কিট হাউজে ফেরার পথে নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলমসহ প্রায় ২০ জন আহত হন।
উদ্ভূত উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও পালটাপালটি কর্মসূচির পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসন হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি মোতায়েন করে।