ঢাকা: মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মানবতা প্রতিষ্ঠা, মানুষের মুক্তি এবং জীবনকে কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পাওয়া যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বমানবের কাছে শান্তি, সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা। তাঁর কালজয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা ও মানুষের প্রতি সহানুভূতি মানবজাতির জন্য চিরকালীন শিক্ষা হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, কৈশোরকাল থেকেই মহানবী (সা.) মিথ্যার বিরুদ্ধে ছিলেন অকুতোভয় যোদ্ধা। তিনি কখনো আমানতের খেয়ানত করেননি এবং অন্যের উপকার করাকে পরম কর্তব্য মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও তিনি রেখে গেছেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে মহানবী (সা.) ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও তিনি তাওহিদের বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেন।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন অবতীর্ণ করেন। কোরআন মানবজাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির নির্দেশনা দেয় এবং মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে।
রিজভী বলেন, মহানবীর প্রদর্শিত পথে চলা, সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা মানুষের জীবনে শান্তি ও কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।
ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি সবার অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করেন।