Wednesday 30 September 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

দুর্নীতির মামলায় পিকে হালদারসহ ১২ পলাতকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

স্টাফ করেসপন্ডেট
৯ জুলাই ২০২৬ ২০:৩২ | আপডেট: ৯ জুলাই ২০২৬ ২৩:৪৮

প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার)সহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দাখিল করা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক থাকায় পিকে হালদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারি পরোয়ানার তামিল-সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

মামলার অপর আসামিদের মধ্যে শঙ্ক বেপারী, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, সৈয়দ আবেদ হাসান, নাহিদা রুনাই ও রাফসান রিয়াদ চৌধুরী বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অন্যদিকে নুরুল আলম, নাসিম আনোয়ার, নুরুজ্জামান, মোহাম্মদ আবুল হাসেম, এম এ হাশেম, জহিরুল আলম, নওশেরুল ইসলাম, রাশেদুল হক, আল মামুন সোহাগ, রফিকুল ইসলাম খান ও মর্জিনা বেগম পলাতক।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ‘মুন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ভুয়া নথিপত্র তৈরি করেন। পরে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মকর্তা ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সহযোগিতায় ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ৮৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার ভুয়া ঋণ অনুমোদন ও উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, আত্মসাৎ করা অর্থ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হিসাবে স্থানান্তর এবং একাধিক ধাপে লেনদেনের মাধ্যমে পাচার করা হয়। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮, ৪৭১, ৪০৯ ও ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ২৫ জানুয়ারি দুদকের উপসহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১৮ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২০ এপ্রিল তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে আলোচিত পিকে হালদার দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং নাম পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার অশোকনগরে আত্মগোপনে ছিলেন। ২০২২ সালের ১৪ মে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) তাকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকে তিনি ভারতে কারাবন্দি রয়েছেন। একই অভিযানে অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে আরও ৬জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর
বিজ্ঞাপন

রাজকীয় স্বাদের ছানার কোপ্তা কারি
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৫৪

আরো

সম্পর্কিত খবর