ঢাকা: দোহার উপজেলার মৈনট ঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবুর রহমানের আদালত নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতে এ তথ্য জানান দোহার থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এএসআই মুনিয়া আক্তার।
মামলার আসামিরা হলেন— শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, মো. রুবেল, মো. সজীব, মো. নুরুজ্জামান, মো. নাসির, মো. মারুফ, মো. আশরাফুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক এবং রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। তারা সবাই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই ১৫ থেকে ১৬ জন যুবক দলবেঁধে দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ঘুরতে যান। সন্ধ্যার পর সানি নিখোঁজ হন। খবর পেয়ে রাতেই দোহার থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলও সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
পরদিন ১৫ জুলাই সকালে পদ্মা নদী থেকে সানির মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা। সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় ওইদিন বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান দোহার থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৬ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।